এপলের ঘড়ি না নতুন টয়োটা করোলা?

সম্প্রতি উদ্বোধন করা এপলের নতুন প্রযুক্তি এপল ওয়াচ পত্রিকায় আসার সাথে সাথেই প্রচন্ড সমালোচনায় পড়েছে প্রযুক্তি বক্তা, ব্যাবসা সমালোচক এবং সাধারন ব্যবাহরকারীর কাছে। সমালোচনার মূল কারন এর দাম এবং প্রযুক্তি।

এপলের সবচেয়ে কমদামী সাধারন ঘড়ির দাম AUD 500 এবং স্বর্নের প্রলেপ দেয়া ঘড়ির দাম AUD 14,000 থেকে AUD 24,000 পর্যন্ত। ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্র সংগ্রহে রাখার মতো কোন কিছু না। আপনি ৫০ বছর পুরনো ঘড়ি এখনো চালাতে পারবেন; হাতে পড়তে দ্বিধা বোধ করবেন না। কিন্তু এপলের মতো ডিজিটাল ঘড়ির প্রযুক্তি প্রতি বছর পরিবর্তন হবে। প্রতি বছর প্রযুক্তিতে নিত্য নতুন সুবিধা যোগ করা হবে। তখন এপল ঘড়িটি বাংলা প্রবাদ বচনের মতো হয়ে যাবে “না পারলো গিলতে, না পারলো উগড়াতে…”।

অস্ট্রেলিয়ার সামাজিক ওয়েবসাইটগুলোতে একটি ব্যাঙ্গাত্বক ছবি প্রায়ই চোখে পড়ছে; এপলের ঘড়ি কিনতে যে টাকা লাগে, তা দিয়ে একটি নতুন গাড়ি কিনে ফেলা যায়!

অস্ট্রেলিয়ায় জীবন যাপন – ১

প্রথম প্রথম এই দেশের আসার পর কি রকম অদ্ভুত লাগতো। নয় মাস ঠান্ডা এবং তিন মাস গরম। অনেক বাংলাদেশি প্রথমে সহ্য না করতে পারলেও পরে আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যায়; বাংলাদেশিতো! এখানে বাঙালিদের মধ‍্যে একটা কথা প্রচলিত আছে। আমরা যে কোন দেশে যে কোন পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে পারবো। এখন কাউকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে মোটা সোয়েটার তার ওপর জ্যাকেট মাথায় টুপি দেখলে ঠোঁটে মুচকি হাসি চলেই আসে। এখানের স্থানীয়রা একটা পাতলা টি-শার্ট পরেই বের হয়ে যায়।

মনে আছে, প্রথম ছয় মাস প্রতিটি পাই-পয়সা হিসেব করে চলতাম। প্রতি এক ডলারের মানে ছিলো ৮০ টাকা। যেই ছেলে দেশে থেকে সেভলন ক্রিম কিনেছে ৫০টাকায়, সে যদি একটি সবচেয়ে ছোট সেভলন ক্রিমের মূল্য দেখে ৫০০ টাকা; তার মনের অবস্থা কি হবে আপনিই বলুন! মেলবোর্নের সবচয়ে জনপ্রিয় দোকানগুলো হচ্ছে কোলস, সেফওয়ে এবং আইজিএ। তবে কোলস দোকানটি পাবেন গলির আনাচে কানাচে। তবে হাল্কা স্বরে দোকান বলে পরিচয় দিতে গেলে অবশ্য ঢোক গিলতে হবে। কেননা, এই দোকানগুলো হচ্ছে ছোটখাট মার্কেটের মতো। শুধু খাবার নয়, একেবারে সুঁইসুতো থেকে শুরু করে দেয়াল ড্রিল করার মেশিন পর্যন্ত পেয়ে যাবেন। আমার মনে হয় না, কেউ কিছু কেনার জন্য একবার কোলসে গিয়েছে এবং খালি হাতে ফেরত এসেছে। এদেশের সবচাইতে ছোট দোকানেরও কাস্টোমার সার্ভিস খুবই ভালো। আপনি দুই ডলারের জিনিসপত্র ক্রেডিটকার্ড দিয়ে কিনতে পারবেন। কিছু কিছু দোকান, কোন কিছু কেনাকাটা না করেও আপনাকে টাকা তুলতে দেবে বিনামূল্যে! আমি যখন নতুন মেলবোর্নে, আমার কাছে দেশ থেকে নিয়ে আসা সব একশ ডলারের নোট। একশ ডলার মানে অনেক টাকা। সাধারনতঃ কেউ সাথে বহন করে না। আমি তখনো ব্যাংক একাউন্ট খুলিনি। সেই সেভলন ক্রিম কিনলাম ১০০ ডলার ভাঙিয়ে। যদি বাংলাদেশে বাসের ড্রাইভারকে ৫ টাকার ভাড়ায় ১০০ টাকার নোট ভাঙাতে দেয়া হয় তাহলে যে কি হবে.. ওটা আর আজকে নাই আলোচনা করলাম।

মেলবোর্নের অন‍্য্যতম বড় ট্রেন স্টেশন হচ্ছে ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট এবং সাউদার্ন ক্রস। প্রতিদিন সকালেই স্টেশনের বাইরে বা ভেতরে কিছু না কিছু বিনামূল্যে পাবেনই পাবেন। দেশের সব বড় কোম্পানি থেকে ছোট কোম্পানি তাদের পণ্যের মার্কেটিং এর জন্য বিনামূল্যে ছোট ছোট পণ্য বিতরন করে। হয়তো একদিন সকালে বিনামূল্যে পুরো ব্রেকফাস্ট পেয়ে যাবেন, অন্যদিন হয়তো সাবান। বিনামূল্যে বলে নিম্নমানের কছু নয়। একই জিনিস দোকানে গেলে হয়তো ৫ ডলার থেকে ২০ ডলার হবে। এই বিনামূল্যের জিনিষও মেলবোর্নবাসীর হাত থেকে নেয়ার সময় নেই। যে যার মতো করে চলে যাচ্ছে। মেলবোর্নের বড় বড় ট্রেন স্টেশনগুলোতে সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিনামূল্যে খবরের কাগজ বিতরন করা হয় এবং মেলবোর্নবাসীরা তা গোগ্রাসে গিলতে থাকে। বিনামূল্যের এই খবরের কাগজে এক নজর বুলালেই বড় বড় খবরগুলো পেয়ে যাবেন। কালে ভেদ্রে হয়তো দেখা যায় নিজের দেশের কোন ছবি!

যানযট! হ্যাঁ, মেলবোর্নেও হয়! সকালে অফিসের সময়ে এবং সন্ধ্যায় যখন অফিস ছুটি হয়। এক্কেবারে ঢাকার মতিঝিলের মতো যানযট হয়। তবে হ্যাঁ, বড়জোর ২০ মিনিট দেরি হবে সব মিলিয়ে, যদি না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। এই দেশে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে। হয়তে কোন বড়লোকের ছেলেমেয়ে, নতুন বিএমডাব্লিউ পেয়ে ১০০ মাইলের রাস্তায় ২১০ স্পিড উঠিয়ে ফেলেছে এবং সামলাতে পারেনি। ফলাফল, কারো বাসা ভেঙে গাড়ি ঢুকে গেছে কিংবা অন্য কোন গাড়ির চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেছে।
পুরো অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে মেলবোর্নে গাড়ি দুর্ঘটনা সবচেয়ে কম। তার প্রধান কারন হচ্ছে উক্ত স্টেটের যানবাহন বিভাগের অতিরিক্ত রকম বাড়াবাড়ি। আমেরিকার লোকেরা ৬০ -এর রাস্তায় ৭০ না চালিয়ে থাকতে পারে না। তার উপরে গেলে হয়তে ফাইন হবে। কিন্তু মেলবোর্নের রাস্তায় ৬০ এর স্থানে ৬৩…. ঐ গাড়ি চালক নির্ঘাত পুলিশের তাড়া খেয়ে থামবে এবং তার লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে। স্পিড আইন অমান্য করলে সর্বনিম্ম ফাইন হচ্ছে ৩০০ ডলারের মতো এবং লাইসেন্স থেকে ৩ পয়েন্ট কাটা যাবে। যদি রাস্তায় কোন পুলিশ না তাড়া করে, তাহলে নিশ্চিত থাকেন বাসায় ফাইন এবং পয়েন্ট কাটা গেছে এই ধরনের একটি সুন্দর চিঠি পরবর্তি সপ্তাহে পৌঁছে যাবে। একজন ফুল লাইসেন্সধারির পয়েন্ট হচ্ছে ১২ এবং সব পয়েন্ট কাটা গেলে তার লাইসেন্স বাতিল।
এই স্টেটে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্সকে মূলতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ১) ফুল লাইসেন্স: তার গাড়ি চালানোর কোন রকম কোন নিষেধ নেই। ২) প্রবিহিশন: গাড়ি চালাতে হলে তিন থেকে ছয় বছর ধরে গাড়িতে সবুজ অথবা লাল রঙের পি স্টিকার লাগিয়ে চালাতে হবে। কেউ হয়তো আলসেমো করে লাগায় নি, ধরা পড়লে তার লাইসেন্স বাতিল! এবং ৩) লার্নার: এরা গাড়ি চালানো শিখছে। শুধুমাত্র পাশে একজন ফুল লাইসেন্সধারি থাকলেই এরা গাড়ি চালাতে পারবে এবং অবশ্যই গাড়িতে হলুদ রঙের এল স্টিকার লাগাতে হবে।

এদেশের অনেক বাসাবাড়ি কাঠের তৈরি। হলিউড সিনেমাতে দেখে ভাবতাম এক ঘুষিতে দেয়াল ভেঙে দেয় কিভাবে! এখন বুঝি, সম্ভব। মুলতঃ বাহিরের কাঠামো ইট বা অন্যকোন মজবুত পদার্থে তৈরি হয় কিন্তু ভেতরের দয়াল এক ধরনের কাঠ দিয়ে তৈরি। যদি আপনার শক্তি থাকে, তাহলে এক ঘুষিতেই দেয়াল ভাঙতে পারবেন। আর এখানে, শহর ছাড়া অন্য কোথাও দুইতলার বেশি বড় বাড়ি কোথাও দেখতে পাবেন না।
বাসাবাড়ির নয়মও বেশ কঠিন। সরকারের অনুমতি ছাড়া নিজের বাসতেই অনেক ধরনের স্থাপনা করতে পারবেন না। যদি আপনার জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির পেছন দিকের উঠান দেখা যায়, আপনাকে ঐ জানালায় ঘোলা কাঁচ লাগাতে হবে। অনেক ধরনের গাছ আছে, যা অনুমতি ছাড়া লাগাতে পারবেন না। নিজের বাসার ময়লা, প্রতি সপ্তাহে বাসার সামনে একটি নির্দিষ্ট ময়লার ঝুড়িতে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দিতে হবে। ঐ ময়লা সয়ংক্রিয় গাড়ি এসে নিয়ে যাবে। আপনাকে যে ময়লার ঝুড়ি দেয়া হবে, তার চেয়ে বেশি ময়লা করা অস্ট্রেলিয়ার কোন কোন স্থানে বড় ধরনের অপরাধ!

আজ এই পর্যন্তই থাক। পরে সময় পেলে আবার লিখবো।

লেখাটি প্রথম আলো’র অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

CREATE A STUNNING MENU IN CSS3

http://www.webdesignerdepot.com/2012/08/create-a-stunning-menu-in-css3/

My mobile applications are live now

RYCO AppRecently updated RYCO PTM – Hydraulics.
Download now: iOS and Android

Website for mobile header should have…

When you are making website for mobile view. You need to have following code at HTML header. I am using my links, just replace with yours. 🙂

<meta http-equiv="X-UA-Compatible" content="IE=edge">
 <meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1">
 <meta name="author" content="Shohag Bhuiyan">
<link rel="author" href="https://plus.google.com/u/0/+ShohagBhuiyan">
 <meta property="article:author" content="http://au.linkedin.com/in/shohagbhuiyan/" />
 <meta property="article:publisher" content="http://www.shohagbhuiyan.info" />
 <meta name="description" content="Shohag Bhuiyan's personal website.">
 <meta property="og:title" content="Shohag Bhuiyan"/>
 <meta property="og:image" content="http://www.shohagbhuiyan.info/img/Shohag-Bhuiyan.png"/>
 <meta property="og:url" content="http://www.shohagbhuiyan.info">
 <meta property="og:description" content="This is my personal website. Please visit to see my work sample or contact me. Thanks."/>
 <link rel="icon" href="http://www.shohagbhuiyan.info/img/icons/favicon.ico">
 <!--[if IE]><link rel="shortcut icon" href="http://www.shohagbhuiyan.info/img/icons/favicon.ico"><![endif]-->
 <link rel="apple-touch-icon" href="http://www.shohagbhuiyan.info/img/icons/mipmap-xxxhdpi-ic_launcher.png" />
 <link rel="icon" href="http://www.shohagbhuiyan.info/img/icons/mipmap-xxxhdpi-ic_launcher.png" >

CSS techniques: You cant live without it!

CSS is important factor for web designer. Just found some links, I love it; Hope you will too…